চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে ‘গায়েবি’ মামলা

0
93

 চট্টগ্রাম ব্যুরো  ১৭ অক্টোবর ২০২০

facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
pinterest sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
মামলা

চট্টগ্রামে প্রয়াত এক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ‘গায়েবি’ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। যে তারিখের ঘটনার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ওই সময় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে অভিযোগ করেছেন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আহম্মদ মিয়ার মেয়ে তারিন আক্তার তারু। এদিকে মামলার বিষয়টা প্রকাশ্যে আশার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ মামলার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারটি।

জানা গেছে, ৫ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ মিয়ার পুত্রবধূ নাজেহাদ ফারজানা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-৩ এ একটি মামলা করেন। যাতে আসামি করা হয় নিজের স্বামী জালাল উদ্দিন, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আহম্মদ মিয়ার স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম, তার মেয়ে তারিন আকতার তারুসহ পাঁচজনকে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যৌতুকের জন্য বাদীকে মারধর করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এজাহারভুক্ত আসামি জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন। মামলার অপর বিবাদী মঞ্জুরা বেগম দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরা করতে অক্ষম এবং চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। মামলার এজাহারে উল্লিখিত তারিখে তিনি ঢাকায় ছিলেন।

এ ব্যাপারে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ যুগান্তরকে বলেন, তারা তিন মাস আগে পারিবারিক বিষয়ে মনোমালিন্য হওয়ায় আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আমি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলাম। পরে ওই নারীকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। কয়েকদিন আগে শুনলাম একটি মামলা হয়েছে। আসলে যে ঘটনায় মামলা হয়েছে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তারাই বলতে গেলে ভিকটিম। মামলার বাদীই শাশুড়িকে নির্যাতন করত বলে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। এ বিষয়ে সামাজিকভাবেও তা মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মামলার বাদী না মানায় সমাধান সম্ভব হয়নি।

প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আহম্মদ মিয়ার মেয়ে তারিন আক্তার তারু যুগান্তরকে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের দাবি একটাই, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়া হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here